বাংলাদেশে ভ্যাট কীভাবে হিসাব হয়
মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ অনুযায়ী ভ্যাটের আদর্শ হার ১৫%। কিছু পণ্য ও সেবায় ১০%, ৭.৫% বা ৫% হ্রাসকৃত হার প্রযোজ্য, আর কিছু ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট বা ট্রাংকেটেড হার আছে। সম্পূরক শুল্ক (SD) নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে বসে এবং ভ্যাটের আগে হিসাব হয় — অর্থাৎ ভ্যাট হয় দাম + SD-এর ওপর।
দামের সাথে ভ্যাট যোগ (ভ্যাট ছাড়া দাম)
ভ্যাট = দাম × হার ÷ ১০০। ৳১০,০০০ দামে ১৫% ভ্যাট হলে ভ্যাট ৳১,৫০০ এবং ক্রেতা দেবেন ৳১১,৫০০।
ভ্যাটসহ দাম থেকে ভ্যাট বের করা
দামে ভ্যাট আগেই ধরা থাকলে সরাসরি ১৫% কাটবেন না। সূত্র: ভ্যাট = মোট × হার ÷ (১০০ + হার)। ৳১১,৫০০-তে ১৫% হলে ভ্যাট = ১১,৫০০ × ১৫ ÷ ১১৫ = ৳১,৫০০ — যা মোটের ১৩.০৪%, ১৫% নয়।
সম্পূরক শুল্কসহ
SD = দাম × SD হার, তারপর ভ্যাট = (দাম + SD) × ভ্যাট হার। ৳১০,০০০-এ ১০% SD ও ১৫% ভ্যাট হলে: SD ৳১,০০০, ভ্যাট ৳১,৬৫০, মোট ৳১২,৬৫০।
কাদের ভ্যাট নিতে হয়?
- ভ্যাট নিবন্ধনের সীমার ওপরের ব্যবসাকে BIN নিতে হয়, ভ্যাট আদায় করতে হয় এবং প্রতিটি বিক্রিতে মূসক-৬.৩ চালানপত্র দিতে হয়।
- সীমার নিচের ছোট ব্যবসা সাধারণ ভ্যাটের বদলে টার্নওভার কর-এর আওতায় পড়তে পারে।
- মাসিক ভ্যাট রিটার্ন (মূসক-৯.১) এনবিআর-এর ভ্যাট পোর্টালে অনলাইনে জমা দিতে হয়।
প্রতি বছর বাজেটে সীমা ও হার বদলাতে পারে, তাই এনবিআর বা আপনার ভ্যাট পরামর্শকের সাথে বর্তমান হার মিলিয়ে নিন।
Eleven POS
elevenpos.online