বাংলাদেশে একটি সঠিক ইনভয়েসে কী থাকা উচিত
সাধারণ বিক্রয় ইনভয়েসে আপনার ব্যবসার তথ্য, ক্রেতার তথ্য, ইনভয়েস নম্বর, তারিখ, বিক্রিত পণ্য ও মোট পাওনা থাকে। ভ্যাট-নিবন্ধিত হলে প্রতিটি করযোগ্য সরবরাহে এনবিআর মূসক-৬.৩ (কর চালানপত্র) দিতে বলে।
মূসক-৬.৩-এর আবশ্যিক তথ্য
- বিক্রেতার নিবন্ধিত নাম, ঠিকানা ও BIN
- ক্রেতার নাম, ঠিকানা ও BIN (ক্রেতা নিবন্ধিত হলে)
- চালান নম্বর, ইস্যুর তারিখ ও সময়, পণ্যের ক্ষেত্রে ডেলিভারির তথ্য
- প্রতিটি পণ্যের বিবরণ, পরিমাণ, একক মূল্য ও মোট মূল্য
- সম্পূরক শুল্ক (যদি থাকে), ভ্যাটের হার ও পরিমাণ
- সব শুল্ক-করসহ মোট মূল্য
দ্রুত পেমেন্ট পাওয়ার টিপস
- পরিষ্কার ক্রমিক ইনভয়েস নম্বর ব্যবহার করুন, যেমন
INV-2026-0042। - পেমেন্টের শেষ তারিখ ও কীভাবে টাকা দেবেন — ব্যাংক হিসাব, বিকাশ বা নগদ মার্চেন্ট নম্বর — লিখে দিন।
- মোট টাকা কথায় লিখুন; চেক ও বিলে ব্যাংক ও অ্যাকাউন্টস টিম এটা চায়।
এই জেনারেটর আপনার ব্যবসার তথ্য আপনার ডিভাইসেই মনে রাখে, তাই পরের ইনভয়েস হয় কয়েক সেকেন্ডে। দিনে ডজনখানেক ইনভয়েস হলে POS সফটওয়্যার নিজেই নম্বর দেয়, ভ্যাট বসায় আর ভ্যাট রিটার্নের জন্য বিক্রয় রেজিস্টার রাখে।