পে-স্লিপে যা থাকা উচিত
বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী মালিককে সময়মতো মজুরি দিতে ও মজুরির রেকর্ড রাখতে হয়। পে-স্লিপ প্রত্যেক কর্মীকে তার বেতনের পরিষ্কার হিসাব দেয় — আর ব্যাংক বা বাড়িওয়ালা আয়ের প্রমাণ হিসেবে এটিই চান।
- প্রতিষ্ঠান ও কর্মীর তথ্য — নাম, আইডি, পদবি, বিভাগ ও যোগদানের তারিখ
- বেতনের মাস ও কর্মদিবস, উপস্থিতি ও ছুটি
- আয় — মূল বেতন, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত, ওভারটাইম, বোনাস
- কর্তন — আয়কর (টিডিএস), প্রভিডেন্ট ফান্ড, অগ্রিম বা ঋণ, অনুপস্থিতি
- নিট বেতন অঙ্কে ও কথায়, এবং কীভাবে দেওয়া হলো
মোট বেতন ভাগ করা
বেশিরভাগ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মোট বেতন ভাগ করে মূল ৬০%, বাড়িভাড়া ৩০%, চিকিৎসা ৫% ও যাতায়াত ৫%। ভাগটা গুরুত্বপূর্ণ: ওভারটাইম, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি ও উৎসব বোনাস সাধারণত মূল বেতনের ওপর হয়, আর কিছু ভাতা করমুক্ত সুবিধা পায়।
পে-স্লিপ নাকি বেতন শিট?
একজন করে কর্মীর জন্য এই টুল। পুরো টিম এক শিটে এবং সবার পে-স্লিপ একসাথে প্রিন্ট করতে বেতন শিট জেনারেটর ব্যবহার করুন।