বাংলাদেশে কুরিয়ার চার্জ যেভাবে হয়
মার্চেন্ট কুরিয়ার পার্সেলের দাম ঠিক করে তিনটি জিনিস দেখে: কোথায় যাবে, কত ভারী, আর রাইডার কত টাকা কালেক্ট করবেন।
- ডেলিভারি এলাকা — ঢাকার ভেতরে সবচেয়ে কম, উপশহরে (সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ…) বেশি, ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি।
- ওজন — বেস চার্জে প্রথম এক কেজি; প্রতিটি অতিরিক্ত কেজি (বা তার অংশ) নির্দিষ্ট টাকা যোগ করে।
- COD চার্জ — ক্রেতার কাছ থেকে তোলা টাকার একটি শতাংশ (সাধারণত প্রায় ১%)। কিছু কুরিয়ার ঢাকার ভেতরে COD চার্জ নেয় না।
উদাহরণ
রাজশাহীতে ২.৩ কেজির পার্সেল, ৳১,৫০০ ক্যাশ অন ডেলিভারি: বেস ৳১২০ + ২ অতিরিক্ত কেজি × ৳২০ = ৳১৬০ ডেলিভারি, সাথে কালেক্ট হওয়া ৳১,৬৬০-এর (পণ্য + ডেলিভারি) ১% COD = ৳১৬.৬০। আপনার পেআউট ৳১,৬৬০ − ৳১৬০ − ৳১৬.৬০ = ৳১,৪৮৩.৪০।
রিটার্নই লুকানো খরচ
এফ-কমার্সে ক্যাশ অন ডেলিভারির ১০–২৫% অর্ডার ফেরত আসতে পারে। ফেরত পার্সেলে ডেলিভারি চার্জ, অনেক সময় রিটার্ন চার্জ, প্যাকেজিং ও বিজ্ঞাপনের খরচ যায় — আয় শূন্য। রিটার্ন বাদে লাভ ট্যাবে পাঠানো প্রতি অর্ডারে আসল লাভ এবং কোন রিটার্ন হারে লোকসান শুরু হয় তা দেখবেন।
কুরিয়ার খরচ কমানোর উপায়
- ঢাকার বাইরের অর্ডারে বিকাশে ছোট অগ্রিম (ডেলিভারি চার্জ) নিন — রিটার্ন অনেক কমে।
- বুকিংয়ের আগে প্রতিটি অর্ডার ফোন বা SMS-এ নিশ্চিত করুন।
- মাসে ৫০০+ পার্সেল পাঠালে রেট নিয়ে আলোচনা করুন; চুক্তির রেট টেবিলে বসান।
Eleven POS
elevenpos.online