ভালো কোটেশনে কী থাকে
কোটেশন (প্রাইস অফার বা এস্টিমেট) অর্ডারের আগেই ক্রেতাকে জানায় আপনি ঠিক কী সরবরাহ করবেন এবং কত দামে। বাংলাদেশে কর্পোরেট অফিস, এনজিও ও সরকারি দপ্তর কার্যাদেশ দেওয়ার আগে সাধারণত দুই-তিনটি কোটেশন নেয় — তাই পরিষ্কার ও পূর্ণাঙ্গ কোটেশন প্রায়ই কাজটি এনে দেয়।
- আপনার ব্যবসার তথ্য — নাম, ঠিকানা, ফোন; কর্পোরেট ক্রেতার জন্য BIN বা ট্রেড লাইসেন্স।
- কোটেশন নম্বর ও তারিখ — যাতে ক্রেতা পারচেজ অর্ডারে উল্লেখ করতে পারেন।
- মেয়াদ — দাম বদলায়; ৭, ১৫ বা ৩০ দিন সাধারণ।
- আইটেমভিত্তিক দাম — প্রতিটি আইটেমের নিচে মডেল, সাইজ বা স্পেক লিখলে পরে ঝামেলা হয় না।
- ভ্যাট — দামে ভ্যাট আছে কি না স্পষ্ট লিখুন। সরকারি ও বড় প্রতিষ্ঠান উৎসে ভ্যাট ও কর কাটে, তাই আলাদা করে দেখানো দরকার।
- শর্তাবলি — ডেলিভারির সময়, পেমেন্টের শর্ত (যেমন ৫০% অগ্রিম), ওয়ারেন্টি ও কী অন্তর্ভুক্ত নয়।
কোটেশন বনাম ইনভয়েস
কোটেশন হলো প্রস্তাব, এতে টাকা চাওয়া হয় না। ক্রেতা রাজি হলে মাল সরবরাহের পর ইনভয়েস (ভ্যাট নিবন্ধিত হলে মূসক-৬.৩) দেন। এই টুলের "ইনভয়েসে রূপান্তর" বাটন একই ক্রেতা ও আইটেম দিয়ে ইনভয়েস জেনারেটর খুলে দেয়।
বেশি কোটেশন জেতার টিপস
- একই দিনে উত্তর দিন — শেষ এক টাকার চেয়ে গতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- "POS হার্ডওয়্যার সরবরাহের কোটেশন"-এর মতো ছোট একটি বিষয় লিখুন।
- স্ট্যান্ডার্ড ও প্রিমিয়াম অপশন আলাদা আইটেম হিসেবে দিন, ক্রেতা বেছে নেবেন।
- মেয়াদ শেষ হওয়ার দুই দিন আগে ফলো-আপ করুন।