শ্রম আইনে গ্র্যাচুইটি
বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী গ্র্যাচুইটি হলো প্রতি পূর্ণ বছর চাকরির জন্য অন্তত ৩০ দিনের মজুরি (অথবা শেষ আংশিক বছর ছয় মাসের বেশি হলে), আর দশ বছরের বেশি চাকরিতে ৪৫ দিন। বাস্তবে সর্বশেষ মূল বেতন ধরে হিসাব হয়: দৈনিক মূল = মাসিক মূল ÷ ৩০।
উদাহরণ: মূল ৳২০,০০০, চাকরি ৭ বছর ৮ মাস → ৮ বছর ধরা হবে × ৩০ দিন × ৳৬৬৬.৬৭ = ৳১,৬০,০০০।
চাকরি শেষে সুবিধা
- পদত্যাগ (ধারা ২৭) — স্থায়ী শ্রমিক ৬০ দিনের নোটিশ দেবেন। ৫–১০ বছর পর প্রতি পূর্ণ বছরে ১৪ দিনের মজুরি; ১০ বছরের বেশি হলে ৩০ দিন — অথবা গ্র্যাচুইটি যদি বেশি হয়।
- মালিক কর্তৃক অবসান (ধারা ২৬) — ১২০ দিনের নোটিশ (বা তার বদলে মজুরি) এবং প্রতি পূর্ণ বছরে ৩০ দিনের মজুরি, অথবা গ্র্যাচুইটি যদি বেশি হয়।
- ছাঁটাই (ধারা ২০) — এক মাসের নোটিশ (বা মজুরি) এবং প্রতি বছরে ৩০ দিনের মজুরি, অথবা গ্র্যাচুইটি যদি বেশি হয়।
- অর্জিত ছুটি — প্রতি ১৮ দিন কাজে এক দিন; চাকরি শেষে অব্যবহৃত ছুটির টাকা পাওনা।
ওভারটাইম
ধারা ১০৮ অনুযায়ী ওভারটাইম মূল মজুরি ও মহার্ঘ/অ্যাডহক ভাতার সাধারণ হারের দ্বিগুণ। সাধারণ ঘণ্টাপ্রতি হার সাধারণত মূল ÷ ২০৮ (২৬ কর্মদিবস × ৮ ঘণ্টা)। ৳১২,৫০০ মূল বেতনে: সাধারণ ঘণ্টায় ৳৬০.১০, ওভারটাইমে ৳১২০.১৯।
দিনে ১০ ঘণ্টা বা সপ্তাহে ৬০ ঘণ্টার বেশি কাজ নয়, বছরে গড়ে সপ্তাহে ৫৬ ঘণ্টা।
কোম্পানির চাকরির বিধি ও চুক্তি আইনের চেয়ে বেশি দিতে পারে — কম নয়। বিরোধপূর্ণ ক্ষেত্রে শ্রম আইন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
Eleven POS
elevenpos.online