দোকানে QR কোড কোথায় কাজে লাগে
- ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইট — ব্যাগ, রসিদ ও সাইনবোর্ডে, যাতে ক্রেতা এক স্ক্যানে ফলো করেন।
- ওয়াইফাই — ক্যাফে ও রেস্টুরেন্টে অতিথি পাসওয়ার্ড না চেয়েই যুক্ত হন।
- হোয়াটসঅ্যাপ — অর্ডারের জন্য: "অর্ডার করতে চাই" লেখা মেসেজসহ চ্যাট খুলে যায়।
- বিকাশ / নগদ নম্বর — কাউন্টারে বড় ও স্পষ্ট করে, যাতে ক্রেতা ভুল নম্বরে না পাঠান।
- গুগল রিভিউ লিংক ক্যাশ কাউন্টারে — বেশি রিভিউ পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়।
- কন্টাক্ট কার্ড (vCard) — ভিজিটিং কার্ডে, যাতে আপনার নম্বর সরাসরি ক্রেতার ফোনে সেভ হয়।
স্ট্যাটিক কোডের মেয়াদ শেষ হয় না
অনেক QR সাইট "ডায়নামিক" কোড বানায় যা তাদের সার্ভার ঘুরে যায় এবং ফ্রি ট্রায়াল শেষ হলে বন্ধ হয়ে যায়। এখানে বানানো কোড স্ট্যাটিক: তথ্য কোডের ভেতরেই থাকে, তাই চিরকাল কাজ করে — অ্যাকাউন্ট বা ট্র্যাকিং ছাড়া।
প্রিন্টের টিপস
- কাছ থেকে স্ক্যানের জন্য কোড অন্তত ২.৫ সেমি চওড়া রাখুন, পোস্টার ও ব্যানারে আরও বড়।
- হালকা ব্যাকগ্রাউন্ডে গাঢ় কোড দিন, আর চারপাশের সাদা জায়গা রাখুন।
- লোগো দিলে শত শত কপি প্রিন্টের আগে দুই-তিনটি ফোনে স্ক্যান করে দেখুন।
- প্রিন্টিং প্রেস ও বড় ব্যানারের জন্য SVG দিন — যেকোনো সাইজে ঝকঝকে থাকে।
Eleven POS
elevenpos.online