ডিজিটাল বাকির খাতা কেন?
বাংলাদেশের প্রায় সব দোকানেই বাকিতে বিক্রি হয়। কাগজের খাতা চলে — যতক্ষণ না পাতা ছেঁড়ে, লেখা অস্পষ্ট হয় বা কাস্টমার মোট হিসাব নিয়ে আপত্তি তোলে। ডিজিটাল খাতা প্রতিটি এন্ট্রি সাথে সাথে যোগ করে, কোন বাকি কতদিন ধরে পড়ে আছে দেখায় এবং কাস্টমারকে পরিষ্কার স্টেটমেন্ট দেয়।
কীভাবে ব্যবহার করবেন
- মোবাইল নম্বরসহ কাস্টমার যোগ করুন। আগে থেকে বাকি থাকলে "আগের বাকি" ঘরে লিখুন।
- বাকিতে মাল দিলে বাকি দিলাম চাপুন, টাকা ও পণ্যের বিবরণ লিখুন।
- টাকা পেলে জমা পেলাম চাপুন। বাকি সাথে সাথে আপডেট হবে।
- এক ট্যাপে সঠিক বাকির অঙ্কসহ হোয়াটসঅ্যাপ বা SMS রিমাইন্ডার পাঠান।
পাইকার ও ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে আপনার দেনা একইভাবে রাখতে সাপ্লায়ার ট্যাবে যান।
কাস্টমার না হারিয়ে বাকি আদায়
- প্রত্যেক কাস্টমারের জন্য মনে মনে একটি বাকির সীমা ঠিক করুন — সীমা ছুঁলে আর বাকি দেবেন না।
- প্রতি সপ্তাহে সবচেয়ে পুরনো বাকি আগে সাজিয়ে দেখুন; ৩০ দিনের বেশি পুরনো বাকি আলাদা রঙে দেখায়।
- মাসের ১ তারিখের পর রিমাইন্ডার পাঠান, তখন চাকরিজীবী কাস্টমারের হাতে টাকা থাকে।
- স্টেটমেন্ট প্রিন্ট করে দিন — প্রতিটি এন্ট্রি দেখলে আপত্তি অনেক কমে যায়।
আপনার ডেটা
সব তথ্য এই ডিভাইসের এই ব্রাউজারেই থাকে। নিয়মিত ব্যাকআপ নিন এবং ফাইলটি গুগল ড্রাইভে বা নিজের হোয়াটসঅ্যাপে রেখে দিন; নতুন ফোনে কয়েক সেকেন্ডে রিস্টোর করা যায়।
POS বিল থেকেই বাকি বিক্রি নিজে থেকে লিখে রাখে, তাই খাতা সবসময় আপডেট থাকে — দোকানের সব ফোন ও কম্পিউটারে।