বাংলাদেশে আমদানি শুল্ক কীভাবে হিসাব হয়
কাস্টমস প্রথমে শুল্কায়নযোগ্য মূল্য (AV) বের করে: CIF মূল্য (দাম + ইন্স্যুরেন্স + ফ্রেইট) কাস্টমস এক্সচেঞ্জ রেটে টাকায় রূপান্তর করে, সাথে ল্যান্ডিং চার্জ। তারপর নির্দিষ্ট ক্রমে প্রতিটি শুল্ক হিসাব হয়:
- কাস্টমস ডিউটি (CD) = AV × CD হার (০%, ১%, ৫%, ১০%, ১৫% বা ২৫%)।
- রেগুলেটরি ডিউটি (RD) = AV × RD হার।
- সম্পূরক শুল্ক (SD) = (AV + CD + RD) × SD হার।
- ভ্যাট = (AV + CD + RD + SD) × ভ্যাট হার, সাধারণত ১৫%।
- অগ্রিম আয়কর (AIT) = AV × AIT হার।
- অগ্রিম কর (AT) = (AV + CD + RD + SD) × AT হার।
সব মিলিয়ে মোট কর ভার (TTI)। তৈরি ভোগ্যপণ্যে TTI সাধারণত AV-এর ৫৮% বা তার বেশি; মৌলিক কাঁচামাল ও মূলধনি যন্ত্রপাতিতে অনেক কম।
উদাহরণ
$১০,০০০ FOB + $৮০০ ফ্রেইট, ১% ইন্স্যুরেন্স, ৳১২২/$ রেটে: CIF ≈ ৳১৩,৩০,৭৭৬ এবং ১% ল্যান্ডিংসহ AV ≈ ৳১৩,৪৪,০৮৪। CD ২৫%, RD ৩%, VAT ১৫%, AIT ৫% ও AT ৫% হলে TTI দাঁড়ায় প্রায় ৳৭,৮৭,৬০০ — AV-এর ৫৮.৬%।
কোনটা ফেরত পাবেন
- ভ্যাট নিবন্ধিত হলে VAT ও AT মূসক-৯.১ রিটার্নে উপকরণ কর রেয়াত হিসেবে নেওয়া যায়।
- AIT চূড়ান্ত আয়করের সাথে সমন্বয় হয়।
- CD, RD ও SD আসল খরচ — এগুলো পণ্যের খরচে ধরতে হবে।
সঠিক হার কোথায় পাবেন
হার নির্ভর করে পণ্যের ৮ অঙ্কের HS কোডের ওপর এবং প্রতি বাজেটে বদলায়। বাংলাদেশ কাস্টমসের অপারেটিভ ট্যারিফে আপনার HS কোড খুঁজে হারগুলো ক্যালকুলেটরে বসান।
Eleven POS
elevenpos.online