প্রচলিত কমিশন পদ্ধতি
- নির্দিষ্ট শতাংশ — সব বিক্রিতে একই হার। সহজ, তবে বেশি বিক্রির বাড়তি তাগিদ দেয় না।
- স্ল্যাব — বিক্রি বাড়লে হারও বাড়ে, যেমন ৩ লাখ পর্যন্ত ২%, ৫ লাখ পর্যন্ত ৩%, তার ওপরে ৪%।
- টার্গেট বোনাস — ছোট মূল হার, মাসিক টার্গেট পূরণে নির্দিষ্ট বোনাস, আর টার্গেটের ওপরের বিক্রিতে বাড়তি হার।
প্রগ্রেসিভ বনাম পুরো বিক্রিতে স্ল্যাব
প্রগ্রেসিভ স্ল্যাবে বিক্রির প্রতিটি অংশ নিজ স্ল্যাবের হারে — আয়করের মতো। পুরো বিক্রিতে স্ল্যাবে কোনো স্ল্যাব পার হলেই পুরো বিক্রিতে উঁচু হার। এতে প্রেরণা বেশি, তবে স্ল্যাবের ঠিক সীমায় বড় লাফ তৈরি হয়।
উদাহরণ: ৳৬,১০,০০০ বিক্রি, স্ল্যাব ২% / ৩ লাখের ওপরে ৩% / ৫ লাখের ওপরে ৪%। প্রগ্রেসিভ: ৳৬,০০০ + ৳৬,০০০ + ৳৪,৪০০ = ৳১৬,৪০০। পুরো বিক্রিতে: ৪% × ৳৬,১০,০০০ = ৳২৪,৪০০।
টিপস
- বাকি বিক্রি বেশি হলে শুধু বিল নয়, আদায় হওয়া বিক্রিতে কমিশন দিন।
- পদ্ধতি এমন সহজ রাখুন যাতে প্রত্যেক বিক্রেতা নিজের কমিশন নিজেই হিসাব করতে পারেন।
- প্রতি তিন মাসে টার্গেট পর্যালোচনা করুন যাতে তা অর্জনযোগ্য থাকে।
POS প্রত্যেক বিক্রেতার বিক্রি নিজে থেকে রেকর্ড করে, তাই মাস শেষে কমিশন শিট তৈরিই থাকে।
Eleven POS
elevenpos.online