ভাড়ার রসিদ কেন দেবেন?
ভাড়ার রসিদ দুই পক্ষকেই সুরক্ষা দেয়। ভাড়াটিয়ার কাছে বিরোধ, অফিসের বাড়ি ভাড়া ভাতা ও আয়কর রিটার্নের জন্য পরিশোধের প্রমাণ থাকে; বাড়িওয়ালার কাছে থাকে কোন মাসে কত পাওয়া গেল ও কত বাকি তার পরিষ্কার হিসাব।
ভাড়ার রসিদে যা থাকা উচিত
- বাড়ির নাম বা হোল্ডিং নম্বর ও ঠিকানা।
- বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার নাম, ফ্ল্যাট বা দোকান নম্বর।
- যে মাস (বা মাসগুলো)-এর ভাড়া।
- ভাড়া ও প্রতিটি চার্জ — গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ, সার্ভিস চার্জ, জেনারেটর, লিফট।
- আগের বকেয়া, মোট প্রদেয়, প্রাপ্ত টাকা ও বাকি।
- কথায় টাকার পরিমাণ, পরিশোধের মাধ্যম ও দুই পক্ষের স্বাক্ষর।
মাসিক নিয়ম
- চার্জগুলো একবার বসান — মনে থাকবে।
- প্রতি মাসে পরের মাস চাপুন: মাস, রসিদ নম্বর ও অপরিশোধিত বকেয়া নিজে থেকেই এগিয়ে যাবে।
- A4-এ প্রিন্ট করে লাইন বরাবর কাটুন, এক কপি ভাড়াটিয়াকে দিন, অন্যটি রেখে দিন।
করের বিষয়
বাড়িওয়ালাকে আয়কর রিটার্নে ভাড়ার আয় দেখাতে হয়। বাড়ি ভাড়া ভাতার করছাড় দাবি করা চাকরিজীবীর প্রমাণ হিসেবে ভাড়ার রসিদ লাগতে পারে। পুরো বছরের রসিদ একসাথে রাখুন।