প্রতিটি নিয়োগকর্তার যে চারটি চিঠি লাগে
- নিয়োগপত্র — বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ধারা ৫ অনুযায়ী প্রত্যেক শ্রমিককে দিতে হয়। এতে পদ, যোগদানের তারিখ, বেতন, শিক্ষানবিশকাল ও প্রধান শর্ত থাকে।
- অভিজ্ঞতা সনদ — কর্মচারী চাকরি ছাড়লে পদ ও চাকরিকাল নিশ্চিত করে দেওয়া হয়।
- বেতন সনদ — ব্যাংক ঋণ, ক্রেডিট কার্ড, ভিসা ও বাসা ভাড়ার জন্য চাওয়া হয়।
- অব্যাহতিপত্র — পদত্যাগ গ্রহণ করে শেষ কর্মদিবস নিশ্চিত করে।
বেতনের বিভাজন
বাংলাদেশে বেতন সাধারণত মূল বেতন, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও যাতায়াত ভাতায় ভাগ করা হয়। প্রচলিত ধরন হলো মূল বেতন মোটের ৫০–৬০% এবং বাড়ি ভাড়া মূলের ৫০%। মূল বেতন জরুরি, কারণ ওভারটাইম, উৎসব ভাতা, গ্র্যাচুইটি ও প্রভিডেন্ট ফান্ড এর ওপর হিসাব হয়।
ভালো চর্চা
- স্মারক নম্বর দিন এবং প্রতিটি চিঠির কপি কর্মচারীর ফাইলে রাখুন।
- নিয়োগপত্রের অনুলিপিতে সম্মতি হিসেবে কর্মচারীর স্বাক্ষর নিন।
- সনদে অনুমোদিত ব্যক্তির স্বাক্ষর ও কোম্পানির সিল দিন।
- বেতন তালিকার সাথে না মেলা বেতন সনদ কখনো দেবেন না — ব্যাংক যাচাই করে।
বেতন, ছুটি ও হাজিরা এক জায়গায় রাখলে এই চিঠিগুলো কয়েক সেকেন্ডে তৈরি হয়।